কলেজের ক্রাশ যখন আমার প্রেমে পর্ব 6 | Emotional Love Story

College Er Crush Jokhon Amar Preme

Amrin Talokder { Part 6 }


যদিও আমরিন বললো না সে যে অন্য একজনকে ভালোবাসতো কিন্তু তাকে না বলার আগেই ঝগড়া হয়েছে তার সাথে,আর এখন কথাই বলে না,তাই তার বিয়ে তার বাবা মায়ের পছন্দ অনুযায়ী ছেরে দিছে।এটা কেন যেন আমরিন বলতে চেয়েও বলতে পারেনি।হয়তো প্রশ্ন বেরে যেতে পারে তাই।

তাই আর কিছু বলেনি আর

জান্নাত : আমি তোমার জন্য সারাটা জীবন অপেক্ষা করে কাটাবো কিন্তু তোমাকে আমি চাই,তোমাকে না পেলে আমি নিজেকেই শেষ করে দিব।

আমিরন: আচ্ছা সেটা পরে দেখা যাবে।

তার আর জান্নাত আর আমরিনকে তার ভালোবাসা কথা নিয়ে তার সামনে দারায় নি।

তাদের মাঝে শুধু বন্ধুত্বই রয়ে গিয়েছিল শুধু।

কিন্তু এক সময় আমরিন সব কিছু পাল্টিয়ে চলে আসে সিলেট, যেখানে আমরিনকে কেও চিনতো না,

কিন্তু ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস যদি থাকে কপালে তো ঘুরে ঘুরে আসিবে এমন একটা প্রবাদ আছে ঠিক তেমনি হইছে আমরিনের সাথে।

তার পর তো আপনারা জানেনই কি হয়েছে তো চলুন বাস্তবে যা ঘটছে আই মিন বর্তমানে সেখানে চলে যাই অনেক অতীতের কাহিনি বলছি আপনাদের।

ম্যাম: এই মেয়ে তুমি কেন এত্তো কথা বলছো আমি কি তোমাকে জিজ্ঞেস করেছি নাকি।
তুমি কেন সব কথার উত্তর দিচ্ছো? তোমরা কি হাজবেন্ড ওয়াইফ নাকি গালফ্রেন্ড বয়ফ্রেন্ড যে ওই ছেলেটার উকালতি তুমি করছো?

আমরিন: আসলে ম্যাম আপনি যা ভাবছেন তা নয়।আর স্যরি আমাদের দেরি হওয়াতে আমাদের দুইজনকেি ক্ষমা করে দিবেন।

জান্নাতের তো রাগে শরীর পুরে যাচ্ছে কি করবে সে ভেবে পাচ্ছে না,আমরিনকে শেষ বারের মতো দেখেও আপন করে নিতে পারলো না,সে অন্য কারো হয়ে গেলো।

যেটা তাসফি জান্নাত মেনে নিতে পারছে না।

তাহলে তাসফি জান্নাত কি করবে আমরিনের সাথে নাকি নিজের সাথেই কিছু করে বসবে কোনটা?নাকি অন্য কিছু ভাবছে জান্নাত??

জান্নাত : আচ্ছা তোমরা এখন যেতে পারো,

আমরিন ও আফিফার ম্যাম আই মিন তাসফি জান্নাত তাদের চলে ডেতে বলায় তারা চলে যেতে ছিল কিন্তু...

ম্যাম: মি.আমরিন আপনি একটু দারান আপনার সাথে কিছু কথা আছে।

তার পর আফিফা তার মতো চলে যায় কিন্তু আমরিন পিছন ফিরে তার ম্যামের মুখোমুখি দারায়।

ম্যাম: জ্বি বসো তুমি, দারিয়ে আছো কেন?

আমরিন: জ্বি ম্যাম আমি এমনেই ঠিক আছি, কোন কিছু কি বলবেন?

ম্যাম: হ্যাঁ বলবো বলেই তো আটকিয়েছি। (কিছুটা রাগি ভাবে)

আমরিন :

ম্যাম: কি মি.আমরিন ভুলে গেছো নাকি আমারকে দেওয়া কথা গুলো। খুব করে তো পালিয়ে গিয়েছিলে,কিন্তু দেখো ভাগ্য, ঘুরে ফিরে তোমার দেখা পেলাম কিন্তু তুমি আমাতে যে কথা দিয়েছিলে সেটা রাখো নি আমরিন তুমি কথা রাখোনি।কেন আমরিন কি নেই আমার মাঝে যা ওই আফিফা নামের ওই মেয়েটার মাঝে রয়েছে।কি ছিল না আমার টাকা পয়সা, বাড়ী, গাড়ি, সব তো ছিল, আর ছিল তোমার প্রতি অঢেল ভালোবাসা,কিন্তু তার পর ও কেন তুমি আমাকে কথা দেওয়ার পরও তুমি আমাতে এভাবে ঠকালে।

তুমি তো বলেছিলে তুমি যদি আমার জন্য অপেক্ষা করতে পারো তো আমাকে বিয়ে করবে,কোন রিলেশনশিপে যাবে না,তোমার ক্যারিয়ার আগে।তোমার সেই দেওয়া কথার মাঝে এই তোমার ক্যারিয়ার লুকিয়ে ছিল??সেটা সেদিনই বলে দিতে পারতে। কেন আমাকে এভাবে এত্ত বছর অপেক্ষা করালে।আর কেনই বা পালিয়ে গেলে সেখান থেকে আর আমাকে কষ্ট দিয়ে দিয়ে আমাকে শেষ করে দিচ্ছো, আচ্ছা আমিরন বলতো তোমার কাছে কি আমার ভালোবাসা এতই নঘন্য নাকি।বলো আমরিন বলো(এগুলো বলছিলো জান্নাত আমরিনের শার্টের কলার ধরে ঝাকিয়ে ঝাকিয়ে, আর কাঁদছিল)

আমরিন: দেখুন ম্যাম এটা বাড়ী নয় আর দ্বিতীয় কথা আপনি যা ভাবছেন সেটা সঠিক নয়।

জান্নাত : ওই তোর আমি কিসের ম্যাম হ্যাঁ আর এটা বাড়ি নাকি অফিস সেটা আমি বুঝবো তাতে তোর কি বল??

আমরিন: দেখো আমার কথাটা তো তুমি শুনবে প্লিজ।

জান্নাত : আর কি শুনাবি তুই বল?তোরা কবে হানিমুন করছিস কিভাবে করছিস সেটা শুনাবি ।চলে যা তুই এখান থেকে।তোকে আমি আর দেখতে পারছি না,আমাতে একা থাকতে দে।

আমরিন আর কিছুই না বলে সেখান থেকে তার ডেস্কে আই মিন তার যে কেবিন রুম আছে অফিসে সেখানে চলে আসে।

যেহেতু আমরিন হসপিটালের টেকনোলজিস্ট তাই তার সাথে একই রুমে আর একজন আছে,আর সে আর কে নয় সেটা হলো আফিফা।

আফিফা: তোমাকে ম্যাম কি বললো আমরিন?

আমরিন: আর বলো না তোমাকে তো ছেরেই দিল কিন্তু আমাকে বকে দিল,এটা কি ম্যাম নাকি বুঝলাম না।কোথায় তোমাকে বকবে আর আমাকে ছেরে দিবে আর ভালো ব্যবহার করবে তা না, তার উল্টো কাজ করলো।

(আফিফাকে পুরোটাই মিথ্যে কথা বললো আমরিন, কারণ আফিফা যদি জানে ম্যাম আমাকে এরকমটা করেছে তাহলে হয়তো কষ্ট পাবে।আর আফিফার সাথেও অনেক ভালো সম্পর্ক।তাই আমরিন চায় না আফিফা কখনও কষ্ট পায়)

এইদিকে জান্নাত ঠিক করে সে যদি আমরিনতে তার জফবনে না পায় তো কাওকে সে হতে দিবে না,আমরিন আর কাোরো হদে পারবে না।কখনও না।আমরিন শুধুই হবে আমার, আর যদি না পাই তো তাতেই এই পৃথিবী থেকে সরিয়ে দিব।

এই সব তাসফি জান্নাত ভাবছে আর মুচকি মুচকি হাসচ্ছে।

জান্নাত তার প্লান অনুযায়ী কাজ করে যাচ্ছে।আর ওই দিকে আমরিন কখনও ভাবে নি তারই এককালে এক ফ্রেন্ড তাতে মারার প্লান করে যাচ্ছে।আমরিন নিজ মনে সবার সাথে হাসি খুশি থাকছে আর অফিসের কাজ করে যাচ্ছে।

কিন্তু আমরিনের এই হাসিটা কেও একজন যে সহ্য করতে পারছে না সেটা আমরিনের অজানা।

এই দিকে আমরিনকে মারতে জান্নাতের সকল কাজ সম্পুর্ণ। এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা করছে।

আর সেই সময়টাও খুব তারাতারি এসে যায় যেটা জান্নাত কল্পনাও করতে পারেনি এত্ত তারাতারি সেই সময়টি তার একদম কাছে চলে আসবে।

আগামী মাসের আঠারো তারিখে জান্নাতের জন্মদিন তারই উপলক্ষে তার হতে যতগুলো অফিস আছে সকল স্টাফদেরই দাওয়াত দেওয়া হয়েছে।

কিন্তু একপা সমস্যা সেটা হলো অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয়েছে ঢাকাতে। যেখানে আমরিন কখনও যেতে চায় না।কিন্তু এবার সে যে কিই বা করবে ভেবে পাচ্ছে না।কারণ যে যায়গায় অনুষ্ঠানটি হবে তার আশে পাশে হাবিবা জন্নাত আর টিনা চৌধুরীর বাসা।

এখানে বলে রাখা ভালো আপনারাই শুধু জানেন যে টিনা চৌধুরীর বিয়ে হয়ে গেছে কিন্তু আমরিন সেটা জানে না।আপনারা আবার যেন বলে দেন না।

আস্তে আস্তে জান্নাতের জন্মদিনও চলে আসে, এখন মানবতার খাতিরে দাওয়াত রক্ষা করতে তার ঢাকাতে যেতেই হচ্ছে।

-----------------------------------------------------

আজ অনেক বছর পর আবার সে তার রাজধানী ঢাকাতে পা রাখলো, তার কেন যেন পমনে হচ্ছে এখান কিছয একটা ঘটতে চলছে।কিন্তু বুঝে উঠতে পারছে না কি হবে।খুবই নাভার্স হয়ে আছে।সবারই সাথে জন্মদিনের পার্টি টা শেষ করে আমরিন তার এক ঢাকাতে বন্ধুর বাসায় যাচ্ছিলো।

বাসায় যাওয়ার রাস্তায় একটা মোড় ঘুরতে তাকে একটা পাইভেট কার ধাক্কা দিয়ে চলে যায়।

ধাক্কা লাগার সাথে সাথে আমরিন চোখে মুখ কালো হয়ে যায়,তার জীবনে আধার কালো নেমে আসচ্ছে,কিন্তু শেষ এই মুহুর্তে একটা চির চেনা মুখ ভেসে উঠছে।তাকে দেখে শুধু মনে হলো আমি..........

আর কিছুই বলতে পারেনি আমরিন তার আগেই সে জ্ঞান হারিয়ে পরে।তার আর কিচ্ছু মনে নেই।

কে ছিল যাকে দেখে আমরিন কিছয বলতে চেয়েছিল কিন্তু পারে নি তার আগেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলে?

———————————————————————

আগামী পর্বের জন্য অপেক্ষা করুন
ধন্যবাদ

ভুল ত্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন আর আমার জন্য দোয়া করবেন।

আশা করি সবারই ভালো লাগবে

Click Here For Next :চলবে

Writer :- Amrin Talokder

Leave a Comment

Home
Stories
Status
Search
Account