হ্যাকার সিনিয়র বউ – রোমান্টিক গল্প পর্ব 1 | Hacker Senior Bou

Hacker Senior Bou

Amrin Talokder { Part 01 }


ফেসবুকে নিউজ ফিড গুরতে ছিলাম, কিন্তু একা একাই বের হয়ে চলে আসলাম,ভাবলাম হয়তো হাতে চাপ লেগেছিল,তাই আবার ঢুকতে যাবো কিন্তু ফেসবুক সিজন ইরোর মেরে দিল,একা একাই লাক আউট।

কেমনে কি, আমিতো প্রায় পাগল প্রায়,আমার আ্যাকাউন্ট একা একা লক আউট হওয়ার কথা না তো।

যখন লক আউট হইছে এখন কি আর করার এখন আবার পাসওয়ার্ড দিয়ে লক ইন করতে হবে, তাই পাসওয়ার্ড দিয়ে লক ইন করলাম,
কিন্তু একি পাসওয়ার্ড ভুল দেখায় কেন??আমিতো পুরোই আকাশ থেকে পরলাম,আমার মনে হলো সত্যি বোধয় পাসওয়ার্ড ভুল করেছি,তাই কাগজে লিখে রাখছি সেখান থেকে দেখে দেখে দিলাম না পাসওয়ার্ড ভুল দেখায়,কি আর করবো,এতোক্ষণে বুঝে গেছি আইডিতে গোন্ডগোল হইছে,

আপনাদের পরিচয়টা দিয়ে রাখি,আমি আমরিন,বাবা মায়ের একমাত্র সন্তান, তবে আমার একটা বোন আছে,সেও বাবা মায়ের একমাত্র সন্তান । একমাত্র বলার কারণটা বুঝলেন না তো,কারণ আমি একাই আমার কোন ভাই নেই,তবে একটা বোন আছে তাই একমাত্র ছেলে,সেরকম আমার বোনও একমাত্র মেয়ে বাবা মায়ের,তাই একমাত্র সন্তান আমি

আমার আবার আইডির অভাব নেই তাই চলে গেলাম আর একটা আইডিতে,আরেক আইডিতে ঢুকে দেখি আমার রিয়েল আইডির সাথে যে ফ্রেন্ড ছিল সেটা আর নাই,আর ফেসবুক থেকে আমার আইডিটাই ডিএক্যাটিভ করে দিছে,আমার তো কান্না কান্না অবস্থা। আমার রিয়েল আইডিটার আজ করুন অবস্থা দেখে আমি পাগল হয়ে যাবো,

→কিনে বন্ধু ফোন হাতে নিয়ে উপর দিকে তাকিয়ে কান্না কান্না অবস্থা কেন??গালফ্রেন্ড ছ্যাঁকা দিছে নাকি,আহারে বন্ধু কান্দিশ না।

তুই আমার বন্ধু না শত্রু,বলে কেঁদে দিলাম চোঁখের পানি ধরে রাখতে পারলাম না।
বন্ধু কান্দিশ না এক তাসফি চলে গেছে তো কি হয়েছে,আরো হাজারো তাসফি তোর পিছনে ঘুর ঘুর করবে,

বন্ধু তাসফি কিছু করে নাই,(কেঁদে কেঁদে)
তাহলে কি হয়েছে বলতো,কেন কান্না করছিস,কি সমস্যা তোর বল..

বন্ধু রে আমার সব শেষ হয়ে গেছে, আমার সব শেষ হয়ে হেছে,(আমার এরকম কান্না দেখে জাহিদও ভয় পেয়ে গেছে,হাহিদ এখন হয়তো ভাবছে আমার বাবা মায়ের আবার কিছু হলো না তো??)

কাঁপা কাঁপা গলায় জাহিদ......

আমরিন আন্কেল আন্টির কিছু হয়নি তো,কি হয়েছে একটু খুলে বলতো।
তার পর জাহিদকে সব বলে দিলাম, আবার কান্না করমু তখন জাহিদ হাঁসতে হাঁসতে শেষ। আর বলে এবার যদি কান্না করিস তাহলে এমন জায়গায় মারবো বাকি জিবনে বাবা ডাক শুনতে পারবি না,
সামান্য একটা আইডির জন্য এরকম কান্না,আমিতো তোর কান্না দেখে ভয় পেয়ে হেছিলাম,আন্কেল আন্টির আবার কিছু হলো নাকি,তুই কখনও মানুষ হলি না,

পড়ুন  ভিলেন পর্ব 78 - প্রেমের গল্প | Romantic Premer Golpo

তুই সামান্য আইডি বলছিস,আমার আইডিতে কত দরকারি জিনিস আছর,আমার আইডি হ্যাক হয়ে গেছে,কে করেছে এই বাজে কাজটা,তুই প্লিজ একটু বের করবি নাকি, যদি না বের করতে পারিস আমার চেয়ে খারাপ তাহলে আর কেও হবে না বলে দিলাম,( এতোক্ষণ কান্না করলেও,এখন খুব রাগ হচ্ছে,আমার আইডি কেন হ্যাক করতে হবে আর কোন আইডি পেলো,ভাবতে ভাবেতেই নতুন একটা আইডি খুলে ফেলেছি)

নতুন আইডিও কিছুদিন চালানোর পরও একি অবস্থা, আবারও হ্যাক করেছে,পরেছি এক সমস্যায়,তাই এবার আর আমার নামে আইডি খুললাম না,ছদ্দ নাম ব্যবহার করলাম,
আপনারা আবার বলে দিয়েন না হ্যাকাররে,যে আমি ছদ্দ নাম দিয়ে আইডি খুলছি। তাহলে আবার হ্যাক করতে পারে।এবার অনেকদিন হলো কোন প্রকার হ্যাক হইনি।
তাই অনেক খুশি,কিন্তু সে খুশিও বেশি দিন টিকলো না,তাই এবার সিদ্ধান্ত নিলাম হ্যাকার জগৎে পা রাখবো,দেখি কে আমার সাথে এরকম করছে,তাকে শিক্ষা না দিয়ে কোন কথা নেই,

গোপন শুত্রে আজ আমার জিবনের প্রথম হ্যাকরে পা দিলাম।শুধু মাত্র সেই মেয়েটাকে ধরতে।

হ্যাকার জিবনটা খুব ভালো লাগছে,এখন যার আইডি ইচ্ছে হ্যাক করতে পারি,আর হ্যাকার এডমিনের সাথেও ভালো সম্পর্ক হয়ে গেছে,তার সাথে অনেক ভালো সম্পর্ক।
তার কাছেও আমি শেয়ার করি কেন আমার হ্যাকার জিবনে পা রাখা,
এডমিন ভাই আমার কথা শুনে হাসতে হাসতে শেষ,এডমিনের পরিচয় টা আপনাদের দিয়ে নেই।আমাদের কাজ হচ্ছে,খারাপ কাজ করতে না দেওয়া,আর যারা হ্যাক করে খারাপ কাজ করে তাদের পাশ্ব প্রতিক্রিয়া দেখানো,যেন তারা আর দ্বিতীয় বার হ্যাক করতে আমাদের কথা মনে করে।আমরা হচ্ছি ব্যাক্ল হ্যাট হ্যাকার,সবাই বলে এই হ্যাকার গ্রুপটা নাকি অনেক খারাপ, কিন্তু আসলে কেও জানে না যে এই গ্রুপটাই সাধারণ জনগণের পাশে দারায়।
এডমিন হচ্ছে আমার এক বন্ধুর বড় ভাই,তার নাম হচ্ছে রাফি।

ভাইয়া আমাকে গ্রুপের সাধারণ সদস্য থেকে গ্রুপের সিও তে নিয়ে গেছেন,এখন আমার কথায় এই গ্রুপ চলে,সব কিছুর মেইন টেইন আমি আর রাফি ভাইয়া করি,

আজ হঠাৎ করে আমি আবার আইডি তে ডুকতে পারছি না,মাথাতো গেলো খারাপ হয়ে,তাই তারাতারি করে দেখলাম মাত্র হ্যাক করেছে,আইডিতে কিছুই করেনি,তাই আমি কম্পিউটারের সামনে বসে পরলাম,এর পর যা দেখলাম তা চোখকে বিশ্বাস করাতে পারছি না,এটা হোয়াইট হ্যাকার গ্রুপের একটা মেয়ের কাজ।

পড়ুন  মুখোশ – রহস্যময়, রোমান্টিক প্রেমের গল্প পর্ব ১৬ | মোনা হোসাইন

তার পর আগে নিজের আইডিটা বাঁচারাম,তারপর এর সম্পর্কে নেটে তথ্য গাটতেছি, মেযেটির নাম হলো তাসফি,মেয়েটা আমাদের ভার্সিটিতেই পরে,
আমার জানা মতে আমাদের ভার্সিটিতে একটা মেয়ে আছে যে আমার সিনিয়র তাসফি,

এখন কথা হলো আমিতো তার সিনিয়র সে কেন আমার আইডি হ্যাক করবে,আমার আইডিতে তো কোন কিছুই পায় না তাহলে কিসের জন্য হ্যাক করে,আমার মাথায় ঢুকছে না,আবার ভাবছি এই সিনিয়র তাসফি ছারা তো আরো তাসফি থাকতে পারে, না এভাবে চলবে না,

কে এই মেয়ে তাকে খুঁজে বের করতেই হবে আমনকে,তার সাথে আমার অনেক হিসাব নিকাশ বাকি আছে কেন আমার সাথে এরকম করছে জানতেই হবে,কি চায় এই মেয়ে।
আচ্ছা সিনিয়র তাসফি যদি হয়,তাহলে সে কেন আমার আইডি হ্যাক করবে এসব ভাবছি, এমন সময় রাফি ভাইয়া এসে বলল...

কি ব্যাপার হ্যাকার গ্রুপের সিওকে অনেক চিন্তিত দেখাচ্চে কাহিনি কি জানতে পারি।

তারপর রাফি ভাইকে সব খুলে বললাম,রাফি ভাইয়া বলল..

তুমি যাকে সন্দেহ করছো,সত্যি যদি সে হয়,তাহলে মনে করো তাসফি তোমাকে ভালোবাসে,যার কারণে তোমার সব কিছু হ্যাক করে।কেননা একটা জিনিস খেয়াল করছো,তোমার আইডি হ্যাক করে মেয়েদের আনফ্রেন্ড করে আইডি ডিজেবল করে দেয়,এই মেয়ে যেই হোক না কোন,তোমাকে সত্যি ভালোবাসে।

আরে ভাই যদি ভালোইবাসে তাহলে সামনে আসে না কেন??সামনে আসতে কি সমস্যা?

তুমি যাকে সন্দেহ করছো সে যদি হয়,তাহলে আমার মনে হয় সে লজ্জা পাচ্ছে, কেননা তার থেকে জুনিয়র ছেলেকে সে ভালোবাসে তাই হয়তো বলতে পারছে না।আচ্ছা তুমি এক কাজ করো,তুমি তাসফির সামনে মেয়েদের সাথে কথা বেশি বলবে,আর হেসে কথা বলবে, যদি সত্যি তোমাকে ভালোবাসে তাহলে নিশ্চিত থাকো যে সে রাগে ফুলবে,আর যদি না ফুলে তাহলে ভাববে,এটা সিনিয়র তাসফি না।অন্য তাসফি।

রাফি ভাইয়ার সাথে কথা বলে চলে আসলাম ভার্সিটি,আর তাসফি আপুর সামনে রাফি ভাইয়ার কথা মতো কাজ করতে লাগলাম।দেখি তাসফি আপু আমার দিকে এক ভাবে তাকিয়ে থাকে যেই তার দিকে তাকাই, সাথে সাথে সে চোখ ফিরিয়ে নেয়,আর অপর পাশে ঘুরে চোখ মুছে,যা আমার কাছ থেকে লুকাতে চাইলেও আমি দেখে ফেলি,কেননা আমার কাজটাই হচ্ছে এখন তাকে নিয়ে,

পড়ুন  মুখোশ – রহস্যময়, রোমান্টিক প্রেমের গল্প পর্ব ৫ | মোনা হোসাইন

বান্ধবী গুলোর কাছ থেকে বিদায় নিয়ে তাসফি আপুর কাছে চলে গেলাম আমাকে দেখে সে কিছুটা ভয় পেয়ে গেছে,কেননন আমি হুট করেই তার কাছে চলে যাই,আমার এরকম আসাটা বোধয সে আশা করে নি।তাই তারা তারি সে যতটা সম্ভব নিজেকে সামলিয়ে বলল,

কিরে আমরিন কিছু সমস্যা, কি দরকার আজ আমার কাছে আসলি??

Click Here For Next :চলবে

Writer :- Amrin Talokder

Leave a Comment

Home
Stories
Status
Account
Search